Sunday, 13 June, 2021

Paleoanthropology : প্যালিওনথ্রপোলজি

Paleoanthropology : প্যালিওনথ্রপোলজি

Paleoanthropology বা জীবাশ্মবিজ্ঞান হলো  মানব বিবর্তনের বৈজ্ঞানিক গবেষনা। জীবাশ্মবিজ্ঞান নৃবিজ্ঞানের একটি উপ-ক্ষেত্র যা মানব সংস্কৃতি, সমাজ, এবং জীববিজ্ঞান নিয়ে গবেষনা করে।জীবাশ্মবিজ্ঞান মানুষের জীন, শরীরের গঠন, শারীরবৃত্তবিজ্ঞান এবং আচরণের মধ্যে মানুষের এবং অন্যান্য প্রজাতির মধ্যে মিল এবং পার্থক্যগুলির বোঝার কাজটি করে।

শারীরবৃত্তবিজ্ঞানীরা মানুষের শারীরিক বৈশিষ্ট্য এবং আচরণের শিকড় অনুসন্ধান করে থাকেন। তারা কিভাবে বিবর্তন সকল মানুষের সম্ভাব্যতা, প্রবণতা এবং সীমাবদ্ধতাগুলিকে প্রভাবিত করে তা নিয়ে গবেষনা করে থাকেন।

অনেকের কাছে জীবাশ্মবিজ্ঞান একটি উত্তেজনাপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্র কারণ এটি  লক্ষ লক্ষ বছর ধরে হতে থাকা আমাদের প্রজাতির সর্বজনীন ও সংজ্ঞাযুক্ত বৈশিষ্ট্যগুলি উদ্ভাবন করে।

যাইহোক, কিছু লোক মানুষের কাছে বিবর্তনের ধারণাটি সমর্থনযোগ্য না কারন এটি মানুষ, অন্যান্য জীবিত জিনিস এবং বিশ্বের অন্যান্য ঘটনা কীভাবে ঘটেছে সে সম্পর্কে ধর্মীয় এবং অন্যান্য ঐতিহ্যগত বিশ্বাসগুলির সাথে মোটেই মাননসই না। 

তা সত্ত্বেও, অনেক মানুষ বৈজ্ঞানিক প্রমাণ সঙ্গে তাদের বিশ্বাসকে একবিন্দুতে নিয়ে আসতে পেরেছে।

প্রাচীন মানব জীবাশ্ম এবং প্রত্নতাত্ত্বিক জীবাশ্ম প্রাচীন অতীত সম্পর্কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র দিতে পারে।হাড়, যন্ত্রপাতি এবং অন্য কোনও প্রমাণ (যেমন ফুটপ্রিন্ট, পশু হাড়ের উপর আঘাতের চিহ্ন) ইত্যাদি জীবাশ্ম  হিসেবে পরিচিত।

সাধারন এসব জীবাশ্ম প্রাকৃতিকভাবেই মাটির নিচে সংরক্ষিত থাকে।পরবর্তীতে এসব জীবাশ্ম বৃষ্টি, বায়ুঝড়, প্রত্নতাত্তিক খনন ইত্যাদির মাধ্যমে সারফেসে পাওয়া যায়।

জীবাশ্ম হাড় গবেষণা করে বিজ্ঞানীরা প্রাচীন মানুষের শারীরিক গঠন এবং কিভাবে এটি পরিবর্তিত হতে থাকে সে সম্পর্কে জানতে পারেন। হাড়ের আকার, আকৃতি এবং পেশির দাগ দেখে ওইসব প্রজাতি কিভাবে চলেফেরা করত, যন্ত্রপাতি ব্যাবহার করত এবং কিভাবে তাদের মস্তিষ্কের আকার ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়েছে তা নির্ধারণ করা যায়।

এই ধরনের প্রমাণ গবেষনা করে, প্রত্নতাত্ত্বিকরা বুঝতে পারেন যে কিভাবে প্রাচীন মানুষেরা গড়ে উঠেছিল, যন্ত্রপাতির ব্যাবহার কিভাবে করত এবং পরিবেশে কিভাবে বাস করতো

সোর্স : http://humanorigins.si.edu/education/introduction-human-evolution 


Comments

You may like...